• ঢাকা শুক্রবার
    ০৩ এপ্রিল, ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে অব্যাহত হামলায় গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত

প্রকাশিত: এপ্রিল ৩, ২০২৬, ০৯:০৩ পিএম

উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে অব্যাহত হামলায় গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরান, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধে উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান।

কুয়েতের মিনা আল-আহমাদি তেল শোধনাগারে ইরানি ড্রোন হামলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। উল্লেখ্য, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটি নিয়ে তৃতীয়বার এই শোধনাগারটিতে হামলা হলো।

এছাড়া দেশটির একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং পানি শোধন (ডেসালিনেশন) প্ল্যান্টেও হামলা চালানো হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এতে প্ল্যান্টের কিছু গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিহত করা ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে একটি গ্যাস কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

অন্যদিকে, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী বা আইডিএফ জানিয়েছে, শুক্রবার ভোরেও ইরান থেকে আসা আরও একঝাঁক ক্ষেপণাস্ত্রের মুখোমুখি হয়েছে তারা।

এর আগে ইরানের কারাজ শহরে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় একটি সেতু ধ্বংস হয়। স্থানীয় কর্মকর্তাদের দাবি, ওই হামলায় আটজন নিহত এবং প্রায় ১০০ জন আহত হয়েছেন।

বিবিসি প্রতিনিধিদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সাধারণ মানুষের জীবনে যুদ্ধের প্রভাব চরমভাবে পড়ছে। উপসাগরীয় দেশগুলোর পানি শোধন প্ল্যান্টগুলোতে হামলা অব্যাহত থাকলে এই শুষ্ক অঞ্চলটি মানুষের বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠতে পারে।

এদিকে, ইরানের শাসকরা অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ দমাতে গ্রেপ্তার ও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করছে। রাতে সড়কে টহল বাহিনীর শব্দে সাধারণ মানুষের ঘুম হারাম হয়ে যাচ্ছে।

বিবিসির আন্তর্জাতিক সম্পাদক জেরেমি বোয়েন মনে করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আন্তর্জাতিক নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ‘জোর যার মুল্লুক তার’ নীতিতে এগোচ্ছেন। ট্রাম্প এই যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজলেও বর্তমানে কোনো ধরনের সমঝোতার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

আন্তর্জাতিক সম্পর্কিত আরও

আর্কাইভ