• ঢাকা বৃহস্পতিবার
    ০২ এপ্রিল, ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২

‘সত্য-মিথ্যা’ নিয়ে সংসদে বিতর্ক: বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্য ‘এক্সপাঞ্জ’ করার দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্রকাশিত: এপ্রিল ২, ২০২৬, ০৭:৩৫ পিএম

‘সত্য-মিথ্যা’ নিয়ে সংসদে বিতর্ক: বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্য ‘এক্সপাঞ্জ’ করার দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জাতীয় সংসদ অধিবেশনের সত্য-মিথ্য নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বিরোধীদলীয় নেতা অভিযোগ করেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্য হিসেবে চমৎকারভাবে পরিবেশন করতে পারেন।

অন্যদিকে, বিরোধীদলীয় নেতার ব্যবহৃত ‍‍`মিথ্যা‍‍` শব্দটিকে অসংসদীয় অভিহিত করে তা এক্সপাঞ্জ (কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া) করার দাবি জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে ফ্লোর নেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি স্পিকারের উদ্দেশ্যে বলেন, ‍‍`‍‍`সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে, আমরা কালকে (বুধবার) সংসদ থেকে চলে যাওয়ার পরে আমাকে ভালোবেসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একটা কথা বলেছেন।‍‍`‍‍`

তিনি বলেন, ‍‍`‍‍`তিনি বলেছেন যে আমি একটি অসত্য কথা বলে গেছি। আসলে আল্লাহ তা‍‍`আলা তাকে অপূর্ব দক্ষতা দিয়েছেন। জাস্ট বোতল পরিবর্তন করে মেটেরিয়াল ঠিক রেখে তিনি সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্য হিসেবে চমৎকারভাবে পরিবেশন করতে পারেন। এ জন্য তাকে ধন্যবাদ জানানোর জন্য আমি দাঁড়িয়েছি।‍‍`‍‍`

এ সময় স্পিকার বলেন, ‍‍`‍‍`বিষয়টি গতকালের এবং নতুন করে তোলার প্রয়োজন নেই।‍‍`‍‍`

তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ পাল্টা যুক্তি দিয়ে বলেন, ‍‍`‍‍`এই মুহূর্তে বিরোধীদলীয় নেতা দুটি অসংসদীয় শব্দ ব্যবহার করেছেন। সেটা হচ্ছে ‍‍`মিথ্যা‍‍`। এটা অসত্য বললে আমি আপত্তি করতাম না। আমি অনুরোধ করবো এটি এক্সপাঞ্জ করা হোক।‍‍`‍‍`

তিনি আরও বলেন, ‍‍`‍‍`দ্বিতীয় কথা হচ্ছে, তার কালকের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আমি বলেছিলাম বিরোধীদলীয় নেতা এখানে একটা অসত্য বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন।‍‍`

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‍‍`‍‍`রুল ৬২ অনুসারে বিরোধীদলীয় নেতাদের ওয়াকআউট করার অনেক পরে একজন বেসরকারি সদস্যের মুলতবি প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছিল। সেটি আগে পঠিত বা উত্থাপিত হওয়া অসম্ভব। তাই আমি বলেছিলাম ওনার গতকালের বক্তব্য অসত্য ছিল। জবাবে আবারো দাড়ান ডা. শফিকুর রহমান।‍‍`‍‍`

তিনি বলেন, ‍‍`‍‍`বিভ্রান্তিটা এখানে। একই প্রস্তাব একজন স্বতন্ত্র সদস্য এনেছিলেন, যা গতকাল ভিন্ন নামে এসেছে। বিষয়বস্তু একই ছিল কিন্তু শুধু নাম বদলে গেছে। আমি আগেরটি জানতাম বলেই বলেছি, এখানে কোনও ভুল তথ্য দেইনি।‍‍`‍‍`

জাতীয় সম্পর্কিত আরও

আর্কাইভ