প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ০৯:৩৮ এএম
ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসকে নিরস্ত্র না করা পর্যন্ত যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় কোনো পুনর্গঠন কাজ শুরু হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এক সামরিক অনুষ্ঠানে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভাষণে এ মন্তব্য করেন নেতানিয়াহু। একই দিনে ওয়াশিংটনে ‘শান্তি পর্ষদ’ -এর প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিশরের মধ্যস্থতায় গত অক্টোবরে গাজায় দুই বছরব্যাপী যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার পর এই বোর্ড গঠন করা হয়। বোর্ডের প্রথম বৈঠকে প্রায় দুই ডজন বিশ্বনেতা ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা অংশ নেন।
টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভাষণে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা আমাদের মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একমত হয়েছি—গাজাকে নিরস্ত্রীকরণ না করা পর্যন্ত সেখানে কোনো পুনর্গঠন হবে না।’
ওয়াশিংটনের বৈঠকে গাজায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী’ (আইএসএফ) কীভাবে চালু করা যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হচ্ছে। বোর্ডের সামনে সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিষয়গুলোর একটি হলো হামাসের ভবিষ্যৎ। হামাসের নিরস্ত্রীকরণ ইসরাইলের প্রধান দাবি এবং যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপ নিয়ে আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হচ্ছে এবং হামাসের ওপর অস্ত্র ত্যাগের চাপ বাড়ছে।
ইসরাইল এরইমধ্যে কঠোর বিধিনিষেধের প্রস্তাব দিয়েছে, যার মধ্যে হামাসের কাছ থেকে ব্যক্তিগত ছোট আগ্নেয়াস্ত্র পর্যন্ত জব্দ করার বিষয়ও রয়েছে। তবে গাজার দৈনন্দিন প্রশাসন পরিচালনার জন্য গঠিত ফিলিস্তিনি কারিগরি কমিটি কীভাবে নিরস্ত্রীকরণ প্রশ্নটি সামাল দেবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
১৫ সদস্যের ‘গাজা প্রশাসন জাতীয় কমিটি’ (এনসিএজি) ‘শান্তি পর্ষদ’-এর তত্ত্বাবধানে কাজ করবে। কমিটির প্রধান আলী শাআত বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনের বৈঠকে অংশ নিয়েছেন।
তথ্যসূত্র: দ্য ডন