প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১১:১২ এএম
একদিকে ফ্যামিলি কার্ড অন্যদিকে মা-বোনদের গায়ে হাত চলতে পারে না। জামায়াতের আর্দশিক প্রচারণায় কারো বাধা দেয়ার এখতিয়ার নেই। নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দিলে কিংবা নারীদের লাঞ্ছিত করলে প্রতিরোধ করা হবে। এমনটা জানিয়েছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) যশোরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
বলেন,জামায়াত দেশের মানুষকে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তার সবই পূরণ করা হবে।১১ দলীয় জোট প্রার্থীদের নির্বাচিত করার পাশাপাশি গণভোটে হ্যাঁ`কে জেতানোর আহ্বান জানানও শফিকুর রহমান। বলেন, হ্যাঁ ভোট হেরে গেলে বাংলাদেশ হেরে যাবে, আর হ্যাঁ জিতে গেলে বাংলাদেশ জিতে যাবে।
জামায়াত আমির বলেন, যারা নির্বাচনে জেতার আগেই মা-বোনের গায়ে হাত দেয় এবং বিরোধী মত দমনে কঠোর হয়, তারা জিতলে দেশ কতটা নিরাপদ থাকবে সেই প্রশ্ন রয়েই যায়।
ক্ষমতায় গেলে যশোর পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার প্রতিশ্রতি দিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনতার স্বার্থ রক্ষায় দাঁড়িপাল্লার মাপে কোনও হেরফের হবে না। এই দেশে জনগণের রাজনীতি হবে, পরিবার বা দলের নয়।
নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে জামায়াতকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে অন্যতম মজলুম দল জামায়াত। ১৭ বছর নির্যাতিত অবস্থাতেও মানুষের পাশে ছিল দলটি।
বিএনপি দলের শৃঙ্খলা ফেরাতে চাইলে সহায়তা করারও কথা জানান ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, কেউ যদি পায়ে পাড়া দিয়ে আমাদের সঙ্গে ঝগড়া করতে আসে, তবে আমরাও ছেড়ে দেবো না। আমাদেরকে জুজুর ভয় দেখিয়ে লাভ নেই৷
গোটা বাংলাদেশকে বিভিন্ন সিন্ডিকেট আঁকড়ে ধরেছে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ক্ষমতায় গেলে সব সিন্ডিকেটের মূলোৎপাটন করা হবে৷ বেকার ভাতা নয়, বেকারদের দক্ষ করে কর্মমুখী করতে চাই। নারীদের জন্য পৃথক যোগাযোগ ব্যবস্থা ও গণ শৌচাগারের ব্যবস্থা করা হবে। সব ধর্মের জন্য নিরাপত্তার দুয়ার খুলে দেয়া হবে।