• ঢাকা বৃহস্পতিবার
    ০২ জুলাই, ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩

ক্রোয়েশিয়া ম্যাচের আগে বিশেষ বার্তা রোনালদোর

প্রকাশিত: জুলাই ২, ২০২৬, ০৪:২৪ পিএম

ক্রোয়েশিয়া ম্যাচের আগে বিশেষ বার্তা রোনালদোর

ক্রীড়া ডেস্ক

একটি বিশ্বকাপ, একটি স্বপ্ন আর দুই কিংবদন্তির সম্ভাব্য শেষ অধ্যায়। শুক্রবার ভোরে বিশ্বকাপের রাউন্ড অব বত্রিশে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে পর্তুগাল। ম্যাচটি শুধু নকআউটে টিকে থাকার লড়াই নয়, বরং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও লুকা মদ্রিচের বিশ্বকাপ যাত্রারও শেষ ম্যাচ হয়ে যেতে পারে।

চলমান বিশ্বকাপে নামার আগে রোনালদো নিজেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, এটিই হতে যাচ্ছে তার শেষ বিশ্বকাপ। ৪১ বছর বয়সে আরেকটি বিশ্বকাপ খেলার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তাই এবারই হয়তো বিশ্বমঞ্চে শেষবারের মতো স্বপ্ন ছোঁয়ার সুযোগ পাচ্ছেন পর্তুগিজ মহাতারকা।

আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বোচ্চ গোলদাতা, ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার অনন্য রেকর্ড এবং অসংখ্য ক্লাব শিরোপা—রোনালদোর অর্জনের তালিকা দীর্ঘ। তবে এখনও অধরা রয়ে গেছে বিশ্বকাপ ট্রফি। সেই অপূর্ণতাই পূরণ করার লক্ষ্য নিয়ে এবারের আসরে নেমেছিলেন তিনি।

বিশ্বকাপ শুরুর আগে পর্তুগালকে অনেকেই শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন। কিন্তু গ্রুপপর্বের পারফরম্যান্সে সেই প্রত্যাশা কিছুটা ম্লান হয়ে গেছে। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জয় ছাড়া কঙ্গো ও কলম্বিয়ার বিপক্ষে নিজেদের সেরা খেলাটা খেলতে পারেনি দলটি। 

ব্যক্তিগতভাবেও খুব একটা ছন্দে নেই রোনালদো। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করলেও অন্য দুই ম্যাচে তাকে খুব বেশি প্রভাব বিস্তার করতে দেখা যায়নি। বয়সের ছাপও কিছুটা স্পষ্ট। আগের মতো গতি নেই, সহজ কিছু সুযোগও হাতছাড়া করেছেন। তবু বড় ম্যাচে পর্তুগালের সবচেয়ে বড় ভরসার নাম এখনও রোনালদো।

ক্রোয়েশিয়া ম্যাচের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমর্থকদের উদ্দেশে একটি বার্তা দিয়েছেন তিনি। নিজের ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করেন সিআরসেভেন। সেখানে পর্তুগিজ সমর্থকদের কয়েকটি ছবি দিয়ে ক্যাপশনে কয়েক শব্দ জুড়ে দিয়েছেন, ‘মেক আস ফিল অ্যাট হোম।’ যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায়, ‘যেন মনে হয় আমরা ঘরের মাঠে খেলছি।’

নকআউট পর্বের এই লড়াইয়ে হারলেই শেষ হয়ে যাবে বিশ্বকাপের পথচলা। তাই শিরোপার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে রোনালদোর পর্তুগাল যেমন তাকিয়ে আছে তাদের অধিনায়কের দিকে, তেমনি রোনালদোও ভরসা রাখছেন গ্যালারিভর্তি সমর্থকদের উৎসাহে। শুক্রবারের ম্যাচে তাই শুধু একটি দলের জয়-পরাজয় নয়, হয়তো লেখা হবে দুই কিংবদন্তির বিশ্বকাপ ইতিহাসের শেষ অধ্যায়ের গল্পও।

আর্কাইভ