প্রকাশিত: আগস্ট ১২, ২০২৬, ১০:৪১ পিএম
অংশীজনদের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশমালার মৌলিক বিষয়গুলো উপেক্ষা করে ‘খসড়া জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’ এবং ‘খসড়া গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’ মন্ত্রিপরিষদে নীতিগতভাবে অনুমোদিত হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
অতীত কর্তৃত্ববাদী শাসনামলের গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের করুণ অভিজ্ঞতা থেকে সরকার ও ক্ষমতাসীন দল বাস্তবে কী শিক্ষা গ্রহণ করলো, এমন প্রশ্ন তুলে হতাশাও প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
বুধবার (১২ আগস্ট) এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অনুমোদিত খসড়া আইন দুটিতে কিছু ইতিবাচক দিক থাকলেও, মানবাধিকার কমিশনকে স্বাধীন ও কার্যকর করার পথে প্রধান বাধা হিসেবে চিহ্নিত বিষয়গুলো বহাল রাখা হয়েছে।
পাশাপাশি গুম প্রতিরোধ আইনে এ অপরাধে অভিযুক্ত সংস্থাগুলোর সদস্যদের দায়মুক্তির সুযোগ থেকে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা, মানবাধিকার রক্ষা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটাতে খসড়া আইন দুটি সংসদে উত্থাপনের আগেই ভুক্তভোগী ও অংশীজনদের মতামতের আলোকে পুনরায় ঢেলে সাজানোর জোর দাবি জানিয়েছে টিআইবি।