• ঢাকা রবিবার
    ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২

মসজিদের খোঁজে

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৩:৪০ পিএম

মসজিদের খোঁজে

মু আ কুদ্দুস

আজ মসজিদের খোঁজে বের হলাম।কারণ , অনেক সড়ক। কোথাও একা যেতে ভয় হয়। আর এখনো অষ্ট্রেলিয়ার মোবাইল সীম সংগ্রহ করতে পারিনি। কাজেই আমার জামাই পৃথুল ছাড়া বের হওয়ার কোনো উপায় নেই। তাছাড়া, সব সড়কের নাম মনে রাখতি পারিনি।সড়ক যানজট এড়াতে সড়ক গুলো দু/তিন শ‍‍` গজ দূরে চার কিংবা রাস্তা ইউ টার্ন নিয়েছে।এসব সড়কে খুব সাবধানে চলাচল করতে হয়। কারণ, প্রতিটি লেনে যান চলাচলে গতি মাত্রা দেয়া আছে। কেউ যদি একটু উনিশ কিংবা বিশ করে, তাহলে নির্ঘাত দূর্ঘটনা। পথে চোখে পড়লো পেট্রোল পাম্প। এখানে বলে রাখি, অনেকে মনে করেন -বাংলাদেশের কিংবা অন্য দেশের যে ছেলেরা পেট্রোল পাম্পে চাকরি করে তারা পাম্পে দাঁড়িয়ে গ্যাস ও পেট্রোল বিক্রি করেন।আসলে তা নয়, এখানে নিজের গাড়িতে নিজে গ্যাস বা পেট্রোল, মবিল নিতে হয়। এরপর ভিতরে গিয়ে পেমেন্ট করতে হয়। এই কাজটা তারা দেখভাল করেন। শুধু এটা নয় এরকম হাজার প্রতিষ্ঠানে উচ্চ শিক্ষিত ছেলে মেয়েদের কাজ করতে দেখেছি একই নিয়মে। এদের সেলারি ঘন্টা হিসেবে সপ্তাহে, পনের দিন শেষে দেয়া হয়। তবে বড় বড় প্রতিষ্ঠান সেলারি দেয় মাস শেষে - চব্বিশ থেকে ছাব্বিশ তারিখের মধ্যে।
আমি আজ শুধু হারিয়ে যাওয়ার ভয়ে জামাই পৃথুল কে সঙ্গে নিয়ে বাসার কাছাকাছি ঘুরছিলাম। প্রথমে নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদ খুঁজে নিলাম। বাসার কাছে এবং সোজা পথ। রাস্তা পারাপারের ঝামেলা নেই। প্রথম চিহ্ন হিসেবে রাখলাম, মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় "সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়। এরই মধ্যে একটা শপিং মলে গেলাম। ব্যাংকস টাউন এলাকাতে বিশাল এলাকাজুড়ে। এখানে আবার নিয়ম হলো সকাল ন টা থেকে বিকাল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকবে। আমরা যে মলে গিয়েছি, রাত সাড়ে ন‌‌‌ টা অব্দি সেটা খুলে রাখার সরকারি অনুমোদন রয়েছে।
শপিং মলে হাজার রকমের পন্য।যার যেটা প্রয়োজন নিয়ে পেমেন্ট করবে। যারা মলে চাকরি করেন তাদের সহযোগিতা চাইলে নিতে পারেন নাও নিতে পারেন। ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে সততা দেখে বিস্মিত হয়েছি।
একটু বলে রাখি, দু‍‍`সপ্তাহেও আমি এখানকার আবহাওয়া বুঝতে পারিনি। কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি কখনো কড়া রোদ এবং হিমেল হাওয়া। আজ ৪ ফেব্রুয়ারি সারাদিন আকাশ পরিস্কার ছিলো।কড়া রোদ ছিলো কিন্তু ঠান্ডা হাওয়া।তাই, ফিরে আসছি আজকের মতো। এখানে মাগরিবের নামাজ সন্ধ্যা সোয়া আটটায়।তাই আজকের মতো ফিরলাম বাসায়। আবার কথা হবে অন্যদিন নতুন কিছু নিয়ে...। 
 

আর্কাইভ