• ঢাকা সোমবার
    ০৩ আগস্ট, ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

বাউফলে সরকারি ১৩টি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে

প্রকাশিত: আগস্ট ৩, ২০২৬, ০৯:০২ পিএম

বাউফলে সরকারি ১৩টি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় সরকারি পাকা সড়কের পাশের সরকারিভাবে রোপিত ১৩টি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত মো. আলামিন (৩৫) ধুলিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক।

সোমবার (৩ আগস্ট) উপজেলার ধুলিয়া ইউনিয়নের ভেরনতলা বাজার সংলগ্ন পাকা সড়কের পাশ থেকে মেহগনি ও জাম্বুল প্রজাতির গাছগুলো কেটে নেওয়া হয়।

সোমবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ৭ থেকে ৮ জন শ্রমিক গাছ কাটার কাজে ব্যস্ত। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মোট ১৩টি গাছ কাটা হয়। শ্রমিকরাও জানান, আলামিনের নির্দেশেই গাছগুলো কাটা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, গাছগুলোর আনুমানিক মূল্য কমপক্ষে ৬০ হাজার টাকা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এর আগেও আলামিন একই সড়কের পাশের সরকারিভাবে রোপিত গাছ বিক্রি করেছিলেন। সে সময় তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় তিনি আবারও গাছ কাটার সাহস পেয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর উদ্যোগে ২০০৪-২০০৫ অর্থবছরে তৎকালীন ধুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. খলিল শরীফ ওই সড়কের পাশে গাছগুলো রোপণ করেন।

অভিযোগের বিষয়ে আলামিন বলেন, গাছ আমি লাগাইনি, তবে এগুলো আমার রেকর্ডীয় জমির মধ্যে পড়েছে। তবে এর আগে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।

এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, গাছ কাটার খবর পেয়ে ধুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যানকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে গাছগুলো জব্দ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ধুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ইউএনও মহোদয়ের নির্দেশে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি বেশির ভাগ গাছ ইতোমধ্যে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেখানে থাকা তিনটি গাছ জব্দ করা হয়েছে।

দেশজুড়ে সম্পর্কিত আরও

আর্কাইভ