• ঢাকা শনিবার
    ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ‍‍`অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব চাপিয়ে দেওয়ার‍‍` অভিযোগ তালেবান সরকারের

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০৮:২৫ পিএম

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ‍‍`অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব চাপিয়ে দেওয়ার‍‍` অভিযোগ তালেবান সরকারের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

“নিজেদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব আফগানিস্তানের উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে পাকিস্তান,” এই মন্তব্য করেছেন আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ।

পাকিস্তানের সঙ্গে চলমান সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ে শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন তিনি।

মি. মুজাহিদ বলেন, প্রতিবেশী দেশসহ বিশ্বের সকল দেশের সাথে আফগানিস্তান ভালো এবং ইতিবাচক সম্পর্ক চায়।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, "আফগানিস্তানের ভূখণ্ড কোনো দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হবে না এবং আজও এই বিষয়ে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পারস্পরিক শ্রদ্ধার উপর ভিত্তি করেই আমাদের পররাষ্ট্র নীতি এবং আমরা কারও প্রতি শত্রুতার পথ নিতে চাই না।"

মি. মুজাহিদ বলেন, পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব সম্পূর্ণরূপে তাদের দেশের বিষয় এবং এটি নতুন কিছু নয়।

তিনি বলেন, "প্রায় বিশ বছর ধরে, পাকিস্তানে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান বা টিটিপি এবং পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মধ্যে যুদ্ধ চলছে। ২০০৭ সালে, টিটিপি পাকিস্তানে তাদের উপস্থিতি ঘোষণা করে, এরপর থেকে পাকিস্তান সেখানে একাধিক সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে, যার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল ২০১৪ সালের অপারেশন জারব-ই-আজব।"

মি. মুজাহিদ বলেন, তালেবানরা প্রায় চার বছর ধরে আফগানিস্তানে ক্ষমতায় আছে, "তাই পাকিস্তানের এখন তাদের পুরনো এবং ঘরোয়া সমস্যা আফগানিস্তানের উপর চাপিয়ে দেওয়ার কোনো মানে হয় না।"

তিনি অভিযোগ করেন, "তারা বেশ কয়েকবার সীমা অতিক্রম করেছে, আমাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে এবং বেসামরিক নাগরিকদের উপর বোমা হামলা চালিয়েছে। পাকিস্তানের চালানো হামলায় নিরীহ বেসামরিক নাগরিক, শিশু এবং মহিলাদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক নিয়মের স্পষ্ট লঙ্ঘন।”

অতীতে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েও পাকিস্তান সেটি ভঙ্গ করেছে বলে দাবি করেন তালেবান সরকারের মুখপাত্র।

আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা কেবল আত্মরক্ষার বৈধ অধিকার প্রয়োগ করেছি এবং কখনও কাউকে আক্রমণ করিনি। আমরা সর্বদা একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানের উপর জোর দিয়েছি, এবং আমরা এখনও আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে চাই।”

আন্তর্জাতিক সম্পর্কিত আরও

আর্কাইভ