প্রকাশিত: এপ্রিল ১৫, ২০২৬, ০৯:০৯ পিএম
বাংলাদেশ দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ২০২৫ সালের ৫ মার্চ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলারব্ পর ১৯ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারের ইতি টানেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। টাইগারদের সাবেক অধিনায়ক ২৭৪ওয়ানডেতে ৯টি শতক ও ৪৯টি অর্ধশতকসহ ৭,৭৯৫ রান করেছেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মি. ডিপেন্ডেবল নামে খ্যাত ক্রিকেটারকে ওয়ানডে দলে চাওয়ার কথা জানিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। বাংলাদেশ দলের একদিনের ক্রিকেটের কাপ্তানের এমন চাহিদা নিয়ে প্রধান কোচ ফিল সিমন্স মন্তব্য করেন।
ওয়ানডে সিরিজ শুরুর দুই দিন আগে বুধবার (১৫ এপ্রিল) সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ”প্রথমত আমি ওই বিবৃতিটি দেখিনি। আমরা আমাদের সামনে থাকা খেলোয়াড়দের নিয়ে ভাবি। মুশফিকুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে টেস্ট ক্রিকেটে মনোযোগ দেবে। আবারও অভিনন্দন, সে শততম টেস্টের মাইলফলক পার করেছে, বিশ্বে খুব বেশি মানুষ এটি করতে পারেনি। সামনে কী হয় আমরা দেখবো।”
মুশফিক ওয়ানডেতে শেষদিকে মোটেও চেনা ছন্দে ছিলেন না। সবশেষ ১০ ইনিংসে মাত্র এক ফিফটিতে করেন ২১৮ রান। চারবার তিনি দুই অংকের ঘরে যেতে পারেননি। তবে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে মিডল অর্ডারে ধারবাহিকভাবে কেউ রান না পাওয়ায় আবারো অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার হয়ে উঠছেন প্রাসঙ্গিক।
এ ব্যাপারে সিমন্সের ভাষ্য, `আমাদের খেলার প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নতির জায়গা আছে, বিশেষ করে ব্যাটিংয়ে। টপ অর্ডার থেকে শুরু করে ৫, ৬, ৭ এবং ৮ নম্বর পর্যন্ত উন্নতির অনেক সুযোগ আছে এবং আমরা ক্রমাগত উন্নতির চেষ্টা করছি। শেষ ১০ ওভারে আমরা ভালো করছি, যেমনটা পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে আমরা ৮০ রান তুলেছিলাম।`
`আমাদের প্রায় সব ব্যাটসম্যানই ঘরোয়া ক্রিকেটে টপ অর্ডারে ব্যাটিং করে। কিন্তু যখন তারা এখানে আসে, তাদের বিভিন্ন পজিশনে মানিয়ে নিতে হয়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বড় বিষয় হলো পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেয়া, ঘরোয়া ক্রিকেটে কী করেছেন তা নয়।`