প্রকাশিত: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ০৮:৩৪ পিএম
অর্থমন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে জারি করা পৃথক আদেশে এসব নিয়োগ ও অব্যাহতি দেয়া হয়।
রাষ্ট্রায়ত্ত পাঁচটি ব্যাংকের পর্ষদে ১৫ নতুন পরিচালক মনোনয়ন দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে এ ব্যাংকগুলোর ১০ পরিচালককে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে জারি করা পৃথক আদেশে এসব নিয়োগ ও অব্যাহতি দেয়া হয়।
যোগদানের তারিখ থেকে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত পরিচালকদের মেয়াদ হবে তিন বছর। অব্যাহতিপ্রাপ্তদের প্রায় সবাইকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তিন বছরের জন্য নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।
রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে এ মুহুর্তে সবচেয়ে বেশি খেলাপি ঋণ, মূলধন ঘাটতি ও লোকসান নিয়ে বিপর্যয়ের মুখে রয়েছে জনতা ব্যাংক পিএলসি। এ ব্যাংকটিতে নতুন করে তিনজন পরিচালক মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। তারা হলেন, সাবেক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ সফিউল আজম, পেশাদার হিসাববিদ খন্দকার মামুন এবং গ্রেড-১ পর্যায়ের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজিজুন নাহার। আর ব্যাংকটির পর্ষদ থেকে সাবেক অতিরিক্ত সচিব বদরে মুনির ফেরদৌস ও মো. কাওছার আলমকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
অগ্রণী ব্যাংকের পর্ষদে তিন জনকে মনোনয়ন দেয়ার পাশাপাশি সমসংখ্যক পরিচালককে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। নতুন মনোনায়নপ্রাপ্তরা হলেন, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ হোসনে আরা বেগম, সাবেক সচিব মো. ফজলুল বারী, সাবেক ব্যাংকার মো. আসাদুজ্জামান এবং ব্র্যাক ব্যাংকের সাবেক এমডি আবুল এহতেশাম আব্দুল মুহায়মেন। আর ব্যাংকটির পর্ষদ থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্তরা হলেন , সাবেক অতিরিক্ত সচিব ড. মো. ফজলুল হক ও ফয়েজ আহমেদ এবং মোহাম্মদ সুলতান মাহমুদ।
রূপালী ব্যাংকের পর্ষদ থেকে সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. আবু ইউসুফ মিয়াকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। নতুন করে ব্যাংকটির পর্ষদে মনোনয়ন পেয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মাকসুদা বেগম, শফিকুল আলম ও পেশাদার হিসাববিদ মীর সাজেদ উল বাসার।
২০০৯ সাল পরবর্তী সময়ে লুটপাটের শিকার হওয়া বেসিক ব্যাংকের পর্ষদে নতুন করে তিনজন পরিচালক মনোনয়ন পেয়েছেন। তারা হলেন, সাবেক অতিরিক্ত সচিব ফারুক আহম্মেদ, মো. লুৎফুর রহমান ও মো. খাইরুল কবির। আর ব্যাংকটির পর্ষদ থেকে সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুল আহাদ অব্যাহতি পেয়েছেন।
বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদে নতুন মনোনয়ন পেয়েছেন নূরুন্নাহার ওসমানী ও মো. আবিদ হোসেন খান। আর ব্যাংকটির পর্ষদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে মাহবুবুন নাহার, মো. আব্দুল মজিদ ও মো. শাহ আলম মিয়াকে।