• ঢাকা রবিবার
    ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

সীমাবদ্ধতা-চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও শিক্ষকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

প্রকাশিত: মার্চ ২৯, ২০২৬, ০৮:২০ পিএম

সীমাবদ্ধতা-চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও শিক্ষকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও শিক্ষকদের নৈতিক ও পেশাগত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রোববার (২৯ মার্চ) রাজধানীর নায়েমে নতুন জাতীয়করণকৃত সরকারি কলেজ শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকরা হলেন জাতির ‍‍`প্র্যাকটিক্যাল ডক্টর‍‍`, যাদের হাতে গড়ে ওঠে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। শিক্ষা যদি জাতির মেরুদণ্ড হয়, তবে সেই মেরুদণ্ড সোজা রাখার মূল কারিগর হলেন শিক্ষকরাই। তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের নিজের সন্তানের মতো বিবেচনা করে আগামীর বাংলাদেশ গড়ার জাতীয় অঙ্গীকারে শামিল হতে হবে।

শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন কাঠামোগত ত্রুটি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বর্তমান দীর্ঘসূত্রিতা শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট করছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সময়মতো সিলেবাস শেষ করলেও বোর্ডগুলো পরীক্ষা নিতে দেরি করায় জাতীয় পর্যায়ে ক্ষতি হচ্ছে। এই ব্যবস্থার দ্রুত ও কার্যকর সংস্কার প্রয়োজন বলে তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, প্রতিটি ভালো ফলাফলের নেপথ্যে শিক্ষকদের যে অবদান, তা ‍‍`সাদকায়ে জারিয়া‍‍`র সমতুল্য। তিনি শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ শেষে তাদের অভিজ্ঞতা ও সুপারিশগুলো লিখিতভাবে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন, যাতে ভবিষ্যতে শিক্ষা ব্যবস্থা আরও উন্নত ও সময়োপযোগী করা যায়।

শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী বলেন, এস এস সি ও এইচএসসি পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রিতা; বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের ক্লাস ও পরীক্ষা শেষ করলেও শিক্ষা বোর্ডগুলো এই দুটি পাবলিক পরীক্ষা সেই বছরের ডিসেম্বরে না নিয়ে পরবর্তী বছরের এপ্রিল ও জুন মাসে নিয়ে থাকে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে, যা জাতীয় পর্যায়ে বড় ধরনের ক্ষতির কারণ। এ বিষয়ে  সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে নায়েমের মহাপরিচালক ড. ওয়াসীম মো. মেজবাহুল হক, মাউশি পরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
 

জাতীয় সম্পর্কিত আরও

আর্কাইভ