প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬, ০৩:০৩ পিএম
এখন (বর্তমান) থেকে নয় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিকেল থেকে বিএনপির চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক (এনসিপি) নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেছেন, যখন গোটা দেশের তারুণ্য বিপ্লবোত্তর নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নে বিভোর, তখন বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনী সারাদেশে ফ্যাসিবাদীদের চাঁদাবাজি, দখলবাজির সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর প্রসঙ্গে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
নাহিদ বলেন, রাতের আঁধারে জুলাইয়ে আমাদের রাজপথের সহযোদ্ধা জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভাঙচুর ও লুটপাটের পেছনে দুই ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে, চাঁদা না দেওয়া অথবা সম্পত্তি দখল। আবার এবার ঘটনাটি ঘটেছে খোদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসনে। প্রধানমন্ত্রীর আসনে চাঁদা তোলা কিংবা সম্পত্তি দখলের দুঃসাহস কাদের হতে পারে?
নাহিদ বলেন, কোনো স্থাপনা যদি অবৈধ হয়ে থাকে, কেউ দখল করে রাখে, তা উদ্ধারের জন্য আইন-আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার সুযোগ আছে। আইনি পথ বাদ দিয়ে সারাদেশে ক্ষমতাসীনদের এমন উন্মত্ত আচরণ কিসের ইঙ্গিত দিচ্ছে?
বিএনপির চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভয়াবহ দিক হচ্ছে, আওয়ামী লীগের শোষণের সাম্রাজ্য দখল করেই এরা ক্ষান্ত হয়নি। চাঁদাবাজি-দখলবাজির পরিমাণ ও আওতা কয়েকগুণ বাড়িয়েছে। আঠারো কোটি মানুষ আজ এদের কাছে জিম্মি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভূমিকা সম্পর্কে প্রশ্ন তুলে নাহিদ বলেন, সরকার, বিশেষ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে, এসবের বিচার চাওয়া অর্থহীন। তবে আমরা বলতে চাই, অবিলম্বে চাঁদাবাজদের জিম্মিদশা থেকে প্রিয় মাতৃভূমি মুক্তি পাবে।