শুক্রবার   ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন
১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২১  |  ২রা আশ্বিন, ১৪২৮  |  ১০ই সফর, ১৪৪৩ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
লগইন
সর্বশেষ

Loading...

মহাশূন্যে হেঁটেছেন দুই নভোচারী

মহাশূন্যে হেঁটেছেন দুই নভোচারী

মহাশূন্যে হেঁটেছেন দুই নভোচারী

মহাশূন্যে হেঁটেছেন দুই নভোচারী
 
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: 
চীনের নতুন  মহাকাশ স্টেশন থেকে বের হয়ে প্রথমবারের মতো মহাশূন্যে হেঁটেছেন দুই নভোচারী। স্টেশনের মডিউলের বাইরে ক্যামেরা স্থাপন এবং বিভিন্ন যন্ত্র স্থাপনের জন্য মহাকাশযানের স্টেশনের কোর কেবিন থেকে বের হয়ে মহাশূন্যে হাঁটেন চীনের এই দুই অভিযাত্রী ।

এনিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো মহাকাশযানের বাইরে পা রাখলেন দেশটির নভোচারীরা।  চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিসিটিভির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। 

এই ঘটনাকে মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে বড় অর্জন বলে আখ্যা দিয়েছে বেইজিং। গত মাসে লং মার্চ টু-এফ রকেটে করে তিয়ানগং নামের স্পেস স্টেশনে পৌঁছান তিন নভোচারী। স্থানীয় সময় রোববার (৪ জুলাই) স্টেশন থেকে মহাশূণ্যে বেরিয়ে আসেন ২ জন।  সেখানে তাঁরা তিন মাস অবস্থান করবেন। এখন পর্যন্ত নভোচারীদের নিয়ে চীনের সবচেয়ে দীর্ঘ মিশন এটি। মহাকাশ যাত্রার আগে ছয় হাজার ঘণ্টা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তারা।

জানা যায়, প্রথমে  লিউ বমিং নামের এক নভোচারীকে স্টেশনের যান্ত্রিক হাতের মাধ্যমে কেবিনের বাইরে নেওয়া হয়। পরে কেবিনের বাইরে আসেন ট্যাং হংবো নামের অপরজন। এ মিশনে তাঁদের কাজের মধ্যে রয়েছে তিয়ানহে কোর মডিউলের বাইরে প্যানোরমিক ক্যামেরা স্থাপন এবং যান্ত্রিক হাতের কার্যক্ষমতা পরীক্ষা করা। 

চীনা টেলিভিশনে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, স্টেশন থেকে বের হওয়ার আগে  দুই নভোচারী বিভিন্ন সুরক্ষা সরঞ্জাম পরে নিচ্ছেন এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছেন। এরপর তাঁরা কেবিনের দরজা খুলে বের হন।

এছাড়াও মহাকাশ মিশনে তাদের সঙ্গী হিসাবে রয়েছেন নাই হেইশেঙ নামক আরেক অভিযাত্রী। চীনের সবচেয়ে প্রবীণ ব্যক্তি হিসেবে মহাকাশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।

মহাকাশ স্টেশন নির্মাণ সম্পন্ন করতে আগামী বছরের শেষ নাগাদ ১১ বার মহাকাশ গমনের পরিকল্পনা করেছে দেশটি। এর মধ্যে নভোচারীসহ মিশন পরিচালনা করা হবে তিনবার । ৭০ টন ওজনের স্টেশন তৈরিতে  বিশেষ দুটি পরীক্ষাগার মডিউলসহ সরবরাহ ও ক্রু মডিউল যুক্ত করা হবে।

ইফাত/০৫জুলাই