• ঢাকা শনিবার
    ৩০ মে, ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল

অধ্যাপক ডা. মির্জা মোঃ জিয়াউল ইসলামের মানবিক নেতৃত্বে নতুন স্বপ্নের সূচনা

প্রকাশিত: মে ৩০, ২০২৬, ০৭:০১ পিএম

অধ্যাপক ডা. মির্জা মোঃ জিয়াউল ইসলামের মানবিক নেতৃত্বে নতুন স্বপ্নের সূচনা

সিটি নিউজ ডেস্ক

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট অবশেষে একজন সৎ, দক্ষ, দূরদর্শী এবং নিবেদিতপ্রাণ চিকিৎসক-প্রশাসককে পরিচালক হিসেবে পেয়েছে। অধ্যাপক ডা. মির্জা মোঃ জিয়াউল ইসলাম তাঁর দীর্ঘ চিকিৎসা, শিক্ষা ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে চিকিৎসক সমাজ, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন।

একজন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক ও গবেষক হিসেবে তিনি বহু বছর ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাঁর পেশাগত দক্ষতা, নৈতিকতা, মানবিকতা এবং রোগীর প্রতি আন্তরিক দায়বদ্ধতা তাঁকে একজন অনন্য চিকিৎসক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

অধ্যাপক ডা. মির্জা মোঃ জিয়াউল ইসলাম সবসময় বিশ্বাস করেন যে একটি হাসপাতালের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করে রোগীকেন্দ্রিক সেবা, স্বচ্ছ প্রশাসন, জবাবদিহিতা এবং চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নের ওপর। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাবে এবং শিশুস্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট মহলের।

হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অনেকেই মনে করেন, নতুন পরিচালক অধ্যাপক ডা. মির্জা মোঃ জিয়াউল ইসলামের বিচক্ষণ, মানবিক ও কর্মমুখী নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও সাফল্য, মর্যাদা ও স্বীকৃতি অর্জন করবে। তাঁর নেতৃত্বে হাসপাতালটি আধুনিক, গবেষণানির্ভর এবং রোগীবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে আরও সমৃদ্ধ হবে বলেও তারা আশাবাদী।

তবে কিছু মহলে নেতৃত্ব পরিবর্তন ও প্রশাসনিক নিয়োগ নিয়ে ভিন্ন মতামতও রয়েছে। কেউ কেউ মনে করেন, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টন প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা প্রয়োজন। যদিও এসব মতভেদ থাকলেও, সবাই আশা করছেন—নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে হাসপাতালটি আরও উন্নত, কার্যকর এবং জনবান্ধব সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।

অনেকে বলছেন, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে বিভিন্ন সময়ে এখানে নিয়োগ হলেও অধ্যাপক মির্জা জিয়াউল ইসলাম ছিলেন ব্যতিক্রম।

তাদের মতে, বহুদিন পর শিশু হাসপাতাল একজন সৎ, নীতিবান, ভদ্র এবং পেশাদার চিকিৎসককে নেতৃত্বের আসনে পেয়েছে, যিনি প্রতিষ্ঠানটির জন্য অভিভাবকের ভূমিকা পালন করতে পারেন।

তাঁর সততা, কর্মনিষ্ঠা, দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং শিশুস্বাস্থ্যের প্রতি গভীর অঙ্গীকার হাসপাতালটির জন্য এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

আর্কাইভ