ঠিক যেখানে শেষ, সেখান থেকে ‘শি’ সিরিজের সিজন ২ শুরু করলেন ইমতিয়াজ আলি। গোটা সিরিজের মুডটাও প্রায় একই রকম। বদল শুধু, এবার সিরিজে ভূমি চরিত্রে বেশি সাহসী ও আরও বেশি ডার্ক। বলিউডের পর্দায় মূলত প্রেমের ছবি এবং সম্পর্কের গল্পকে এগিয়ে নিয়ে চলেন ইমতিয়াজ। সেদিক থেকে দেখলে ‘শি’ সিরিজ একেবারে ইমতিয়াজ আলির ঘরানার উলটো মেরুতে দাঁড়ায়। তবে এখানেও প্রেম রয়েছে, কিন্তু যার মধ্যে যৌনতার গন্ধটা একটু বেশি। বলা ভাল, ভূমির সুপ্ত যৌন ইচ্ছার সঙ্গে ইমতিয়াজ মিশিয়েছেন মুম্বাইয়ের অন্ধকার জগতকে। তাই এই ছবি ডার্ক ছবির সঠিক উদাহরণ।

ইমতিয়াজের বিষয় নির্বাচন বেশ ভাল। কিন্তু চিত্রনাট্যতে গণ্ডগোল করে ফেললেন। প্রত্যেক এপিসোডে যেন এক গল্প বলে গিয়েছেন পরিচালক আরিফ আলি ও অবিনাশ দাস। যার ফলে সিরিজের গতি বেশ শ্লথ। ‘শি’ সিরিজ দ্বিতীয় সিজন নতুন কোনও গল্পের পথ দেখায় না। বরং আগের গল্প যেন অন্য মোড়কে দেখা যায়। তাই ‘শি’ দেখতে দেখতে একটা পয়েন্টের পর বিরক্ত হতে হয়।

অভিনয়ের দিক থেকে ভূমির চরিত্রে অদিতি পোহাঙ্কর বেশ ভাল। নজর কেড়েছেন নায়ক চরিত্রে কিশোর কুমার জি। শেষমেশ বলা যায়, এই সিরিজের শুরুর এপিসোডে সম্ভাবনা থাকলেও, শেষমেশ এই সিরিজ মাঝারি মানের হয়ে পড়ে। শেষে অবশ্য় টুইস্ট দিয়েছেন পরিচালক, যার ফলে অল্প ইঙ্গিত আরও একটি সিজন আসার। তবে সেই নতুন সিজনে, নতুন গল্প না থাকলে, এই সিজনের মতো অবস্থা হবে ‘শি’ সিরিজের। বরং ইমতিয়াজ নিজের ঘরানার মধ্যে থেকে চিত্রনাট্য লিখে অন্য সিরিজে হাত পাকাতে পারেন। তাতে যদি লাভ পান।

আরআই