পদত্যাগ করেছেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। তিনি রাজ্যপালকে এক লাইনের চিঠি লিখে পদত্যাগের কথা জানান। বিপ্লব কেন এমনভাবে পদ ছেড়ে দিলেন, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। ত্রিপুরার রাজনীতিতেও এ নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া।

পদত্যাগের পর বিপ্লব দেব জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের মতাদর্শ অনুযায়ী এতদিন কাজ করে চলেছেন। তবে এবার দল তাকে সংগঠনের কাজে লাগাতে চায়। ত্রিপুরার বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, ‘দল চাইছে ২০২৩ সালের নির্বাচনের আগে সংগঠনের শক্তি বাড়াতে। দীর্ঘসময় সরকারে থাকার জন্য সংগঠনের শক্তি বাড়ানো দরকার। সংগঠন থাকলে তবেই সরকার থাকবে। তাই দল আমাকে সংগঠনের কাজে লাগাতে চাইছে।’

২০২৩ সালেই ত্রিপুরায় বিধানসভা নির্বাচন। তার ঠিক আগে আগে বিপ্লবের ইস্তফা বিজেপির ভাবমূর্তিকে কিছুটা হলেও ধাক্কা দিল। অনেকেই মনে করছেন, বিপ্লবের ইস্তফার নেপথ্যে রয়েছে দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব।

বিশ্লেষকদের মতে, বিপ্লবের বিরুদ্ধে কয়েক গুচ্ছ অভিযোগ জমা হচ্ছিল, তাতে তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরাগভাজন হচ্ছিলেন। তাছাড়া প্রশাসনের বিভিন্ন প্যারামিটারেও বিপ্লবের ত্রিপুরা সরকার ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছিল। মাত্র চার বছরেই ত্রিপুরা সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছিল। সম্ভবত ওই কারণেই বিধানসভা ভোটের আগে মুখ বদল করল গেরুয়া শিবির।

এইচএ