উত্তর কোরিয়ায় ‘জ্বরে’ ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। মাত্র দুদিন আগে অর্থাৎ বৃহস্পতিবারে দেশটিতে করোনাভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এরপরে দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ মে) নতুন করে আরও ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৪০ জন জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। কেসিএনএর কর্মকর্তারা ২১ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে এদের মধ্যে কতজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনার অস্তিত্ব শনাক্ত হয়। এরপরে তা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু সে সময় এমনকি পরবর্তী প্রায় আড়াই বছরেও নিজ দেশে সংক্রমণের কথা স্বীকার করেনি উত্তর কোরিয়া। বরং শুরু থেকে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু অবশেষে দেশটিতে মহামারি আকারে সংক্রমণ ছড়ানোর কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে পিয়ংইয়ং।

দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, গোটা দেশে লাখ লাখ মানুষের মধ্যে উপসর্গ দেখা দিয়েছে। জ্বরে আক্রান্ত পৌনে দুই লাখেরও বেশি মানুষকে আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। উপসর্গ রয়েছে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের মধ্যে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৩ মে) উত্তর কোরিয়ায় ৬ ব্যক্তি জ্বরে ভুগে মারা গেছেন বলে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়। এ ছয়জনের মধ্যে একজনের শরীরে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়।


এইচএ /ডা