সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাত পেয়েছেন দলীয় মনোনয়ন। শুক্রবার (১৩ মে) গণভবনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় ১৪ জনের মধ্যে তাকে বেছে নেওয়া হয়।

রিফাতের মনোনয়নের খবরে গোটা নগরীতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উৎসব মাতেন। আনন্দ মিছিলে মেতে উঠে গোটা নগরী। বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে নগরীর প্রাণকেন্দ্র কান্দিরপাড়ে একত্রিত হয় নেতাকর্মীরা।

কে এই রিফাত? আরফানুল হক রিফাত কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। সে কুমিল্লা- আসনের সংসদ সদস্য বাহাউদ্দিন বাহারের অনুসারী। এ ছাড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি জেলা ফুটবল অ্যঅসোসিয়েশনের সভাপতি।

ভিক্টোরিয়া কলেজে ছাত্রলীগ করার মাধ্যমে কুমিল্লার রাজনীতিতে প্রবেশ করেন রিফাত। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের পর কুমিল্লা টাউনহল মাঠে বিতর্কিত রাষ্ট্রপতি খুনী মোশতাকের জনসভা পণ্ড করার অপরাধে সামরিক আইনে তিন বছরের সাজা হয়েছিল তার। ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রলীগ করার সময় জামায়াত-শিবিরের হামলায় গুরতর আহত হয়ে তিনি দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

রিফাত কুমিল্লা জেলা যুবলীগের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য ছিলেন। গত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। এ ছাড়া ১৯৯০ সালের এরশাদবিরোধী আন্দোলনের কুমিল্লার প্রথম সারির নেতা ছিলেন তিনি। ১/১১ সময় রাজপথের সক্রিয় নেতা এই রিফাত।

গত ১৩ এপ্রিলে কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে সংসদ সদস্য বাহাউদ্দিন বাহারের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠিত মহানগর আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় আরফানুল হক রিফাতকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে নেতাকর্মীরা সমর্থন দেন।

 

এএমকে