হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হকের বিরুদ্ধে তার কথিত দ্বিতীয় স্ত্রীর দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় দুই জন প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। সোমবার (৯ মে) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে মামুনুল হকের উপস্থিতিতে তাদের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রকিব উদ্দিন আহমেদ জানান, আজ দুজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এর আগে এই মামলায় সাত জন সাক্ষী দিয়েছেন।

আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক নয়ন বলেন, ‘মামুনুল হকের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণ মামলায় চাজশিটভুক্ত ৯, ১০, ১১ ও ১২ নম্বর সাক্ষীর সাক্ষ্য দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দুজন (নাজমুল হাসান শান্ত ও মো. শফিকুল ইসলাম সাগর) সাক্ষ্য দিয়েছেন। বাকি দুজন (জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সোহাগ রনি ও রতন মিয়া) আদালতে হাজির হননি।’

নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) নাজমুল হাসান জানান, সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে মামুনুল হককে ফের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে, ২৫ জানুয়ারি তৃতীয় দফায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন সোনারগাঁ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম নান্নু, রিসোর্টের আনসার গার্ড ইসমাইল ও রিসেপশন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও রয়েল রিসোর্টে এক নারীসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মামুনুল হককে ঘেরাও করেন। পরে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে রিসোর্টে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়ে তাকে নিয়ে যান। ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন তার সঙ্গে থাকা ওই নারী। কিন্তু মামুনুল হক দাবি করেন, ওই নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী।

এইচএ/