প্রকাশিত: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ০৮:৫৫ পিএম
পটুয়াখালীর বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্বে গণ অধিকার পরিষদের ছাত্র সংগঠন যুব অধিকার পরিষদের এক নেতাকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।
অভিযোগকারী বাউফল উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হাসান মাহমুদ জানান, গত মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে ঝালকাঠি উপজেলার এক ছাত্রলীগ নেতা আত্মগোপনের উদ্দেশ্যে বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের কর্পূরকাঠি গ্রামে অবস্থান নেয়। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলেও পুলিশ কোনো সহযোগিতা না করে উল্টো ওই ব্যক্তির পক্ষ নেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এরই জেরে স্থানীয় একটি চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে বাউফল থানার ওসিসহ প্রায় ১০ জন পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে গিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান। তিনি দাবি করেন, তাকে মারধর করা হয় এবং গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে হাতে হাতকড়া পরানো হয়। তাকে বাঁচাতে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে পুলিশ তাদেরও মারধর করে এবং কয়েকজনের মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়।
এ ঘটনার ন্যায়বিচার চেয়ে মো. হাসান মাহমুদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৫ মিনিট ৫৩ সেকেন্ডের একটি ভিডিও পোস্ট করেন, যা ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ওই এলাকায় একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক চুরির অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়রা তাকে চুরির অভিযোগে হাতেনাতে আটক করলে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় যুব অধিকার পরিষদের এক নেতা ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে বাধা দেন এবং পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। মারধরের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি। কেন এমন অভিযোগ করা হয়েছে, তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিই ভালো বলতে পারবেন বলেও মন্তব্য করেন ওসি।
এ বিষয়ে গণ অধিকার পরিষদের বাউফল উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মো. হাবিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে পরে কথা বলবেন।