বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ‘আমাদের যথেষ্ট পরিমাণ দ্রব্য মজুদ আছে। সেটা দিয়ে রমজান মাস পার হয়ে যাবে। এখন দামটা কেমন হবে সেটি কথা হতে পারে। কেউ কেউ মজুত করে রাখছে, সেটি বড় সমস্যা।

সোমবার (১৪ মার্চ) দুপুরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব ভোক্তা-অধিকার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এক কোটি পরিবারকে পণ্য দিতে প্রস্তুত আছে। পণ্যের দাম কমতেও তো পারে। আমরা চেষ্টা করছি রমজান পর্যন্ত আগের দামটা রাখার জন্য। কিন্তু ব্যবসায়ী ব্যবসা করবেই। বাইরের দেশের কোম্পানিগুলো রমজান বা ঈদে ডিসকাউন্টসহ বিভিন্ন অফার দেয়, আমাদের দেশে সেটি নেই।

তিনি আরও বলেন, ‘উৎপাদন পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার করা হচ্ছে। আমদানি পর্যায়ে ১০ শতাংশ কমে ভ্যাট শতাংশ হচ্ছে। ভোক্তা পর্যায়েও শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমানোর ক্ষমতা আমাদের নেই। দাম কমবে কি না ব্রাজিল বলতে পারবে। কারণ ৯০ শতাংশ তেল আমরা সেখান থেকে আমদানি করি।

তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে টিপু মুনশি বলেন, ‘যার পাঁচ লিটার তেল দরকার সে ১০ লিটার কিনলে ঠেকাতে পারবো না। রমজান উপলক্ষে সবাই কিনতে শুরু করলে তো বাজারে ঘাটতি দেখা দেবেই। যতটুকু কেনা দরকার ততটুকুই কিনি। সবার রান্নাঘরে তো আমরা ঢুকতে পারবো না। রমজান মাসের জন্য বেশি না কেনার অনুরোধ করছি।

রমজানে পণ্যের দাম কমার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি, রমজান পর্যন্ত আগের দামটা রাখার জন্য। আমরা এক হাজার ৩৫০ ডলার দাম ধরে ১৬৮ টাকা প্রতি লিটার তেলের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছি। বর্তমাসে সে তেল এক হাজার ৯০০ ডলার হয়ে গেছে। আমাদের চেষ্টার কোনো ত্রুটি নেই।

-কমার্সে ভোক্তার-অধিকার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘একজন ১০টি মোটরসাইকেল কেনার যৌক্তিকতা নেই। সে ব্যক্তি ১০টি কিনে ব্যবসা করতে চায়। তখন সে তো ভোক্তা থাকে না, ব্যবসায়ী হয়ে যায়। ফলে সেটি নিয়ে ভাবতে হবে। ইভ্যালির বিষয়ে আমরা কিছু করতে পারবো না, বিচারবিভাগে সেটি চলে গেছে। তবে অন্যান্য যেগুলো ক্লিয়ারেন্স পেয়েছি সেগুলো পেমেন্ট করে দিচ্ছি।

এনএম/ডা