পবিত্র রমজান সামনে রেখে নিত্যপণ্যের বাজার লাগামহীন হয়ে পড়েছে। ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছেই। সরকার ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ করে দিলেও তা মানছেন না অসাধু ব্যবসায়ীরা। বাজার মনিটরিংয়ে যৌথ অভিযান চালাচ্ছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। অনেকে গোপনে অতিরিক্ত দামে সয়াবিন তেল বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

গত ৬ ফেব্রুয়ারি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সয়াবিনের দাম নির্ধারণ করে দেয়। নির্ধারণ করে দেওয়া বাজারমূল্য অনুযায়ী, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিনের সর্বোচ্চ খুচরামূল্য ১৬৮ এবং বোতলজাত ৫ লিটারের দাম ৭৯৫ টাকা। এ ছাড়া খোলা সয়াবিন প্রতি লিটার সর্বোচ্চ ১৪৩ এবং খোলা পাম অয়েল লিটারপ্রতি ১৩৩ টাকা।

তারপরও ক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত দাম নিলে ভোক্তা অধিদফতরের হটলাইনে কল করে অভিযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন অধিদফতরের কর্মকর্তরা। হটলাইন ১৬১২১ নম্বরে কল করে অভিযোগ জানাতে হবে।
শুক্রবার (১১ মার্চ) অধিদফতরের পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, ‘দেশের অনেকেই ভোজ্যতেলের প্রকৃত দাম সম্পর্কে জানেন না। এটা প্রচার করা বেশি প্রয়োজন। কারও কাছ থেকে নির্ধারিত দামের বেশি নেওয়া হলে আমাদের হটলাইন ১৬১২১ নম্বরে কল করে অভিযোগ জানাতে হবে। আমরা দ্রুত অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধসহ আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার অজুহাতে হঠাৎ করেই সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে রিফাইনারি কোম্পানিগুলো। ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। তেলের দাম প্রতিনিয়ত বাড়ছে। দেশে সব রিফাইনারি প্রতিষ্ঠানের কাছে এ ভোজ্যতেলের আমদানি ও রিফাইনের পরিমাণ জানতে চিঠি দেয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।

ডা/এফএ