রাইমা ইসলাম শিমু। বাংলাদেশি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। কেরানীগঞ্জের হযরতপুর সেতুর পাশ থেকে তার লাশ পাওয়া গেছে। পারিবারিক কলহের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিমুর স্বামী শাখাওয়াত আলী নোবেল এসব কথা স্বীকার করেছেন। আর লাশ গুমে সহায়তা করেছে তার বন্ধু এসএম ওয়াই আব্দুল্লাহ ফরহাদ। মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মারুফ হোসেন সরদার এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে স্বামীর সঙ্গে শিমুর দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। এর জেরে রোববার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে যে কোনো সময় শিমুকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর যে গাড়িতে করে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় সেই গাড়িটি জব্দ করে থানায় আনা হয়েছে। অন্যান্য আলামতও সংগ্রহ করা হচ্ছে। বর্তমানে থানা হেফাজতে আছেন নোবেল তার বন্ধু ফরহাদ।

রাজধানীর গ্রিনরোডের নিজ বাসা থেকে রোববার সকাল ১০টায় বের হয়েছিলেন শিমু। সন্ধ্যা ৭টায় শিমুর এক বন্ধু শিমুকে ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান। এরপর রাত ১১টায় কলাবাগান থানায় জিডি করা হয়। জিডিতে অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়।

এরপর সোমবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে কেরানীগঞ্জের হযরতপুর সেতুর পাশে দুটি বস্তায় শিমুর দেহের দুটি অংশ পাওয়া যায়। তখন পরিচয় শনাক্ত না হলেও রাতে স্বজনরা মরদেহটি শিমুর বলে শনাক্ত করে। পরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (মিটফোর্ড) নেয়া হয়।

আরও পড়ুন : অভিনেত্রীর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার

১৯৯৮ সালে কাজী হায়াৎ পরিচালিতবর্তমানসিনেমা দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় শিমুর। পরের বছর দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, চাষি নজরুল ইসলাম, শরিফ উদ্দিন খান দিপুসহ আরও বেশ কিছু পরিচালকের প্রায় ২৫টি সিনেমায় পার্শ্বচরিত্রে দেখা যায় তাকে।

নূর/ডা