মঙ্গলবার   ০৯:০১ অপরাহ্ন
১৮ই জানুয়ারি, ২০২২  |  ৫ই মাঘ, ১৪২৮  |  ১৫ই জমাদিউস-সানি, ১৪৪৩ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
লগইন
সর্বশেষ

Loading...

বাংলাদেশ চাল আমদানিতে দ্বিতীয়

বাংলাদেশ চাল আমদানিতে দ্বিতীয়

বাংলাদেশ চাল আমদানিতে দ্বিতীয়

বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত শস্যের মধ্যে একটি চাল। খাদ্যপণ্যটির উৎপাদনে এশিয়ার দেশগুলোর জয়জয়কার। তবে এশিয়ার পাশাপাশি আফ্রিকার দেশগুলোতেও এর ব্যবহার বেশি হয়। এবার দেশের প্রধান খাদ্যপণ্য চালের আমদানি বেড়েছে। বর্তমান বিশ্বে চাল আমদানিতে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। বাংলাদেশের ওপরে আছে চীন। এর পরে রয়েছে ফিলিপাইন, নাইজেরিয়া ও সৌদি আরব।

যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) চলতি মাসের ‘খাদ্যশস্য : বিশ্ববাজার ও বাণিজ্য শীর্ষক প্রতিবেদনে এ হিসাব তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়, ২০২০-২০২১ বাণিজ্য বছরে বাংলাদেশ ২৬ লাখ ৫০ হাজার টন চাল আমদানি করেছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, বাণিজ্য বছর হিসাব করা হয় প্রতিবেদন প্রকাশের আগের ১২ মাস ধরে।

ইউএসডিএর এক প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশ এখন বড় আমদানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে। তাদের ডিসেম্বরের ‘বৈশ্বিক কৃষি উৎপাদন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ২০২১-২০২২ সময়ে চাল উৎপাদন আগের পূর্বাভাসের তুলনায় সাড়ে ৭ লাখ টন কম হতে পারে। উৎপাদন দাঁড়াতে পারে ৩ কোটি ৫৫ লাখ টন।

এর আগে গত মাসে ইউএসডিএ বাংলাদেশ নিয়ে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, দেশে এ বছর আউস মৌসুমে ধানের আবাদ কম হয়েছে। চলতি বছর বর্ষাকাল দেরিতে শুরু হওয়া ও বৃষ্টি কম হওয়ার কারণে আমন ধানের উৎপাদনও কিছুটা কম হয়েছে।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক শাহজাহান কবির বলেছেন, ‘বাংলাদেশে যে পরিমাণে উৎপাদিত হচ্ছে, তাতে আমাদের এত চাল আমদানির দরকার নেই। চালের বাজারে কেউ না কেউ কারসাজি করছে।’

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ‘উৎপাদন কিছুটা কম হওয়ার কারণে বাংলাদেশকে আমদানি অব্যাহত রাখতে হবে। বাজারে চালের দাম এখনও বেশি। সরকার আমদানির সুযোগ দিয়েও দাম কমাতে পারছে না।’

কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘দেশে মানুষের আয় বাড়ছে। ফলে ভাতসহ অন্যান্য সব ধরনের খাদ্য গ্রহণ বাড়ছে। হাঁস-মুরগি ও গবাদি পশুর খাবারসহ বিভিন্ন খাতে চালের চাহিদা বাড়ছে। কিন্তু তার পরিমাণ কত, সেটার হিসাব এখনও হয়নি।’ তিনি বলেন, ‘আদমশুমারি করে দেশের বর্তমান জনসংখ্যারও একটি সর্বজনগ্রাহ্য হিসাব তৈরি করা দরকার। তাহলে আমরা বলতে পারব আমাদের কী পরিমাণ চাল দরকার। আমরা প্রতি বছর চাল উৎপাদন বাড়াচ্ছি। কিন্তু তারপরও চাহিদা থেকে যাচ্ছে। যে কারণে আমরা এখন বস্তুনিষ্ঠ পরিসংখ্যানের ওপরে গুরুত্ব দিচ্ছি।

নূর/এএমকে/এম. জামান