শনিবার   ০১:১২ পূর্বাহ্ন
৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২১  |  ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮  |  ২৯শে রবিউস-সানি, ১৪৪৩ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
লগইন
সর্বশেষ

Loading...

ফেসবুকে ঢুকলেই থাপ্পড়!

ফেসবুকে ঢুকলেই থাপ্পড়!

ফেসবুকে ঢুকলেই থাপ্পড়!

এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় যোগাযোগমাধ্যম কোনটি? যে কাউকে এমন প্রশ্ন করলে সবাই নিঃসন্দেহে ফেসবুকের কথাই বলবে। ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি কার্যক্রম শুরু করে মাত্র ১৬ বছরে জনপ্রিয়তার শিখরে উঠে গেছে এই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি।

ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগের সাইটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পার করেন অনেকেই। এর ফলে অন্য কাজ করার সময় থাকে না বলে জীবনে ও কর্মক্ষেত্রে তার প্রভাব পড়তে শুরু করে। তরুণ প্রজন্মের ক্ষেত্রে এটিকে আসক্তিও বলেন কেউ কেউ। মনের অজান্তেই যেন মুঠোফোনে মুখ গুঁজে বসে থাকেন সবাই।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই আসক্তি দূর করতে একটি অভিনব কায়দা বের করেন ইন্দো-আমেরিকান যুবক মনীশ শেঠি। তিনি একজন কর্মী নিয়োগ করেন যিনি ফেসবুকে ঢোকা মাত্রই তাকে থাপ্পড় মারবেন। শুধু তাই নয়, অদ্ভূত এই চাকরির জন্য কর্মী খুঁজতে রীতিমতো বিজ্ঞাপনও দেন মনীশ। তাতে লেখেন, ‘আমি সময় নষ্ট করলেই আমার ওপর চিৎকার করবে। প্রয়োজনে চড়-থাপ্পড় মারতেই হবে।

বিজ্ঞাপনটিতে ব্যাপক সাড়াও পান তিনি। এরপর একজন নারীকে এই কাজে নিয়োগ করেন এবং এজন্য প্রতি ঘণ্টায় ৮ মার্কিন ডলার পারিশ্রমিকও দেন। ইউটিউবে একটি ভিডিও প্রকাশ করে সত্যতা নিশ্চিতও করেন তিনি।

পাভলোক নামের একটি ওয়্যারেবল ডিভাইসের ব্র্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মনীশ পরবর্তী সময়ে জানান, এই কাজের ফলও পেয়েছেন তিনি। তার প্রোডাক্টিভিটি অনেক বেড়ে যায়। আগে যেখানে তার প্রোডাক্টিভিটি ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ ছিল পরে তা বেড়ে ৯৮ শতাংশ হয়।

মজার বিষয় হলো, এই ঘটনাটি ২০১২ সালের। সম্প্রতি টেসলা’-এর প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্কের একটি টুইটের পর এই ঘটনা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এই ঘটনা নিয়ে একটি পোস্ট রিটুইট করেছেন ইলন। পাশাপাশি আগুনের গোলার ইমোজি দিয়েছেন। বলার অপেক্ষা রাখেনা আইডিয়াটি ভীষণ পছন্দ হয়েছে তার।

জেডআই/ডাকুয়া