শনিবার   ০১:১০ পূর্বাহ্ন
২৩শে অক্টোবর, ২০২১  |  ৮ই কার্তিক, ১৪২৮  |  ১৭ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪৩ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
লগইন
সর্বশেষ

Loading...

শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করতেন এই নারী!

শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করতেন এই নারী!

শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করতেন এই নারী!

যুক্তরাষ্ট্রের ইডাহো রাজ্যের বাসিন্দা শ্যানন ওকনর (৪৭)। টিনেজারদের দিয়ে মদ্যপ অবস্থায় শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করতেন তিনি। সরবরাহ দিতেন প্রচুর পরিমাণে মদ আর কনডম। এ ছাড়া টিনেজ যখন শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হতো, তখন তিনি তা পর্যবেক্ষণ করতেন।

শ্যানন ওকনর নিজে শ্যানন ব্রুগা হিসেবেও পরিচিত। তার বিরুদ্ধে ইডাহো রাজ্যে মামলা হয়েছে। সেখানেই তিনি এখন বসবাস করেন। ২০২০ সালের শুরু থেকে গত ১২ মাসের ভেতর টিনেজারদের নিয়ে তিনি এমন অনেক পার্টির আয়োজন করেছেন।

নিজের ছেলে, সহযোগী এবং অন্যদের নিয়ে আয়োজন করেন এসব পার্টি। কিন্তু বিষয়টি ফাঁস হয়ে যাওয়ায় উঠে আসে তার বিকৃত রুচির পরিচয়। 

এখন আদালতের কাঠগড়ায় শ্যানন ওকনর। সেখানে তার অপকর্মের বর্ণনা দিচ্ছেন প্রকিসিউটররা। তারা বলেছেন, তিনি নিজেও একজন মা। যখন একটি মদ্যপ টিনেজার বালক একজন টিনেজার মেয়ের শরীর নিয়ে উন্মত্ততায় মেতে উঠেছে, তখন শ্যানন ওকনর তা দেখছিলেন। তিনি একটি বেডরুমে বসে তা দেখে হাসিতে ফেটে পড়ছিলেন। যে টিনেজার মেয়েটির শরীর নিয়ে এমন খেলায় মেতে উঠেছে ওই মদ্যপ টিনেজার বালক, সে শ্যানন ওকনরের ১৫ বছর বয়সী ছেলের একজন ভালো বান্ধবী।

এতে যাদেরকে তিনি আসক্ত করতেন, তাদের পিতা-মাতার কাছ থেকে বিষয়টি একেবারে গোপন রাখতেন। শুধু তা-ই নয়। নিজের স্বামীর কাছ থেকেও বিষয়টি গোপন রাখতেন। তিনি ১৪ ও ১৫ বছর বয়সী টিনেজারদের জন্য এমন পার্টির আয়োজন করতেন। তাদেরকে মদ দিতেন, কনডম সরবরাহ করতেন। এসব নিয়ে আদালতে মামলা চলছে।

ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি জেফ রোজেন আদালতে বলেছেন, অবশেষে এমন ঘটনার শিকার অনেক টিনেজার সামনে এগিয়ে এসেছেন। তারা ওই গভীর হতাশাজনক অধ্যায় সম্পর্কে জানিয়েছেন।

জেফ রোজেন আরও বলেন, একজন অভিভাবক হিসেবে আমি হতাশ। ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি হিসেবে এসব শিশুকে যেসব প্রাপ্তবয়স্করা বিপন্ন করেছেন, তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে আমি বদ্ধপরিকর।

২০২০ সালের অক্টোবরে শিশুদের জন্য সান্তা ক্লারায় একটি কটেজ ভাড়া নেন। সেখানে তিনি টিনেজারদের গ্যাদারিং আয়োজন করেন। একপর্যায়ে একটি মেয়ের আঙুল ভেঙে যায়। এখন এসব অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি শ্যানন ওকনর।

 

টিআর/এম. জামান