শনিবার   ০১:১০ পূর্বাহ্ন
২৩শে অক্টোবর, ২০২১  |  ৮ই কার্তিক, ১৪২৮  |  ১৭ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪৩ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
লগইন
সর্বশেষ

Loading...

প্রযুক্তিতে চীনকে হারাতে চায় ৪ দেশ

প্রযুক্তিতে চীনকে হারাতে চায় ৪ দেশ

প্রযুক্তিতে চীনকে হারাতে চায় ৪ দেশ

প্রযুক্তিতে চীনকে হারাতে চায় ৪ দেশ। বিশ্বে গত কয়েক বছর থেকেই সেমিকন্ডাক্টার বা চিপ সংকট দেখা দিয়েছে। গাড়ি, মোবাইল ফোন, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক পণ্য তৈরিতে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় উপাদানটির চাহিদা করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে বেড়ে যায় বহুগুণ।

বৈশ্বিক চিপ তৈরিতে সবচেয়ে এগিয়ে আছে চীন। চিপ তৈরিতে সেই চীনকে ঠেকাতে জোট বাঁধছে চার দেশ। ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া জোট তৈরি করে সেমিকন্ডাক্টার উৎপাদনের ঘোষণা দিয়েছে।

জাপানের পত্রিকা নিক্কেই-এর বরাত দিয়ে সোশ্যাল নিউজের এক প্রতিবেদনে জানায়, আগামী সপ্তাহে নিউইয়র্কে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের চার দেশ বৈঠকে বসছে। সেখানেও অন্যতম এজেন্ডা হবে চিপ উৎপাদনে সেই জোট নিয়ে। ধীরে ধীরে চিপের ক্ষেত্রে বিশ্ব নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে চীনের ওপর। সে নির্ভরশীলতা কমাতে চাইছে দেশগুলো। আর সে কারণে এমন জোট গঠন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জো বাইডেনের আমন্ত্রণে চার জাতি জোটের সম্মেলনে যোগ দিতে যাবেন যুক্তরাষ্ট্রে। এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, খসড়া ওই প্রস্তাবে চার দেশ যতটা দ্রুত সম্ভব উৎপাদনে যেতে চাওয়ার কথা জানায়। এ ক্ষেত্রে চার দেশ তাদের দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করবে।

চিপের স্বল্পতা বিশ্বব্যাপীই। সেটা ভারতের মতো চাহিদাসম্পন্ন দেশে আরও প্রকট হয়েছে। যে কারণে দেশটিতে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায় গাড়ি, স্মার্টফোন তৈরি বাধাগ্রস্ত হয়েছে। চিপের উৎপাদন বাড়াতে ও চীনের প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে এরইমধ্যে ১৯০ বিলিয়ন ডলারের একটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

প্রযুক্তি বিশেষ করে চিপের উৎপাদন বাড়াতে এটি নিয়ে গবেষণা ও উন্নয়নে সে বরাদ্দ দেশটিতে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য সচিব গিনা রেইমন্ডো বলেন, এটি এমন একটি বরাদ্দ যা দিয়ে ৭ থেকে ১০টি সেমিকন্ডাক্টার কারখানা স্থাপন করা সম্ভব হবে।

চীনের প্রযুক্তিকে চ্যালেঞ্জ জানানোর ঘটনা এটা প্রথম নয়। জো বাইডেনের আগে দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প চীনের বেশ কয়েকটি কোম্পানিকে দেশটিতে কালো তালিকাভুক্তি করে নির্বাহী আদেশ জারি করেছিলেন। তার ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন বাইডেন। তিনিও চীনের অর্ধশত কোম্পানিকে দেশটিতে ব্যবসা করার ক্ষেত্রে কড়াকাড়ি আরোপ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের মতো ভারতেও চীনের শতাধিক প্রতিষ্ঠান ও অ্যাপ নিষিদ্ধ করে আদেশ দিয়েছে। ২০২০ সালের মে মাসে লাদাখ সীমান্তে চীন-ভারত সেনাদের মধ্যে এক সংঘর্ষের পর ভারত চীনের বেশ কিছু অ্যাপ নিষিদ্ধ করে।

সবুজ/এএমকে/ডাকুয়া