শুক্রবার   ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন
১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২১  |  ২রা আশ্বিন, ১৪২৮  |  ১০ই সফর, ১৪৪৩ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
লগইন
সর্বশেষ

Loading...

‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সম্বন্ধে ধারণা নেই বিএনপির’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সমন্ধে ধারণা নেই বিএনপির

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সমন্ধে ধারণা নেই বিএনপির

বিএনপির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সম্বন্ধে ধারণা নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রী . হাছান মাহমুদ। সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপি বলছে, সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ এবং লেখনী সেন্সর করার জন্য এক লাখ অ্যাক্টিভিস্ট নিয়োগ করবে। বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যারা এসব কথা বলে, তাদের আসলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিভাবে চলে, সে সম্পর্কে ধারণা নেই। এখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাক্টিভিস্ট কাজ করবে, কার কণ্ঠ কে রোধ করবে? মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রিজভী আহমেদরা বিদেশে অ্যাক্টিভিস্ট নিয়োগ করেছেন সরকার দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর জন্য। সে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সুপ্রচার আরও জোরালো হবে। তখন অপপ্রচারগুলো মাঠে মারা যাবে, সে শঙ্কা থেকে তারা কথা বলছেন।

. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বর্তমানে হাজার হাজার অ্যাক্টিভিস্ট আমাদের দলের বা ঘরানার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাক্টিভ আছে। সেগুলোকে সমন্বয় ঘটিয়ে যাতে একসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারে, সে কথা বলা হয়েছে।

ইউটিউবে যে পরিমাণ অশ্লীল কন্টেন্ট দেখানো হয়, একই সঙ্গে রাষ্ট্রসহ সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোও হয়। সেগুলো বন্ধ করার কোনো সুযোগ আছে কি না- জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘এগুলোর সার্ভিস প্রোভাইডার হচ্ছে ইউটিউব কর্তৃপক্ষ বা অন্যান্য যেসব প্ল্যাটফর্মে দেখানো হয় সেসব কর্তৃপক্ষ। তাদের বলা হয়। অনেক ক্ষেত্রে সাড়া পাওয়া যায়, অনেক ক্ষেত্রে পাওয়া যায় না।

তিনি আরও বলেন, ‘আরও জোরালো ব্যবস্থা যাতে নেওয়া যায়, সেজন্য আমরা সার্ভিস প্রোভাইডারের সঙ্গে আলোচনায় আছি। অনেকটা এগিয়ে এসেছে, আমরা আশায় আছি। সরকারের পক্ষ থেকে ফেসবুকসহ অন্যান্য প্ল্যাটফর্মকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে তাদের অফিস খোলার জন্য। বাংলাদেশে যখন এসব কোম্পানি নিবন্ধিত হবে, তখন বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী এসব কন্টেন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া অনেকটা সহজ হবে।

সবুজ/এম. জামান