শুক্রবার   ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন
১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২১  |  ২রা আশ্বিন, ১৪২৮  |  ১০ই সফর, ১৪৪৩ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
লগইন
সর্বশেষ

Loading...

মিথ্যা তথ্য দিয়ে সঞ্চয়পত্র কিনলেই জেল

মিথ্যা তথ্য দিয়ে সঞ্চয়পত্র কিনলেই জেল

মিথ্যা তথ্য দিয়ে সঞ্চয়পত্র কিনলেই জেল

মিথ্যা তথ্য দিয়ে সঞ্চয়পত্র কিনলে জেল-জরিমানার বিধান রেখে সরকারি ঋণ আইন-২০২১এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার ( সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে ৪০ ধারা বিশিষ্ট ঋণ আইনের খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন পায়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সচিবালয়ে ব্রিফিং করার সময় সাংবাদিকদের তথ্য জানান।

সচিব জানান, ‘কোনো ব্যক্তি সরকারি সিকিউরিটি বা জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের আওতায় ইস্যুকৃত সার্টিফিকেটের স্বত্ব অর্জনের উদ্দেশ্যে মিথ্যা বক্তব্য প্রদান করলে অনধিক মাস মেয়াদের কারাদণ্ড অথবা অনধিক এক লাখ টাকা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। যে টাকা-পয়সা ডিপোজিট করবে তা নিয়ে যদি মিথ্যা কথা বলে, তা কোথা থেকে এলো, ইনকাম ট্যাক্স ইস্যু করা না থাকে, সে যদি মিথ্যা তথ্য দেয়, তাহলে সেক্ষেত্রে শাস্তি দেওয়া হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘সরকারি ঋণ অ্যাক্ট ১৯৪৪- প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে সরকারি ঋণ আইন ২০২১ হিসেবে খসড়া তৈরি করা হয়েছে। জনগণকে এটা ওপেনলি জানানো হবে, সরকারি ঋণ আইনের মাধ্যমে কত টাকা হলো এবং এটি কী অবস্থা বা মুনাফা বা সুদ দেওয়া হলো, তা জনগণকে জানানো হবে।

আইনের উদ্দেশ্য নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘বাংলাদেশে সরকারি ঋণ ব্যবস্থাপনার সংশিষ্ট দফতরগুলোর জন্য অধিকতর আধুনিক প্রক্রিয়ায় ঋণ সংগ্রহ, টেকসই ঋণ নীতি পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং ঋণ কৌশলপত্র প্রস্তুত, ঋণের ঝুঁকি নিরূপণ এবং সরকারের দায় হিসাবায়নের পথ অধিকতর সম্প্রসারণ করা।

খসড়া আইনে ৪০টি ধারা রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি বলেন, ‘এর মূল বিষয় সরকারের বাজেট ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে ঘাটতি অর্থায়ন বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য সরকার কর্তৃক গৃহীত বা দেশীয় বা বিদেশি মুদ্রায় গৃহীত সুদ বা মুনাফাযুক্ত এবং সুদ বা মুনাফামুক্ত যেকোনো প্রকারের ঋণ বিনিয়োগ সংগ্রহ করতে পারবে।

তিনি বলেন, ‘সরকার যে ঋণ নেবে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আর বিপরীতে একটি গ্যারান্টি থাকবে, যে টাকাটা সে দেবে সে টাকা ফেরত পাওয়ার গ্যারান্টি থাকবে। অনেক সময় প্রাইভেট ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান যারা গ্রাহক তাদের সুবিধা দেয়, যেহেতু সরকার করবে তাই গ্রাহককে এই নিরাপত্তা দেবে, যেভাবেই হোক প্রপার ডিউ তা ব্যাক পাবে।

তিনি বলেন, ‘সরকারি ঋণ অফিসগুলোর ভূমিকা ঠিক করে দেওয়া হবে, কে কী করবে। শরিয়াভিত্তিক সরকারি সিকিউরিটি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিধান প্রস্তাব করা হয়েছে।

টিআর/এম. জামান